যােনীর প্রদাহ ও জরায়ু প্রদাহ হলে করণীয়

নারীদের যৌনাঙ্গ বিষয়ক নানা ধরনের সমস‌্যা দেখা দেয় প্রতিনিয়ত।এসব বিষয়ে দুঃচিন্তা না করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে। আজ আমার নারীদের যৌনাঙ্গ বিষয়ক অন‌্যতম ২টি সমস‌্যা যােনীর প্রদাহ ও জরায়ু প্রদাহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।


সারভাইটিস ও জরায়ু প্রদাহ
অনেক সময় মেয়েদের জরায়ুতে প্রদাহ হতে পারে। বিভন্ন কারনে যে কোন মেয়েরই এই সমস্যা হতে পারে।


রােগের কারনঃ
১। জরায়ুতে জীবাণু যেমন – ট্রাইকোমােনাস, মনিলিয়া, ক্যান্ডিডিডিয়া প্রভৃতি দ্বারা দূষণের মাধ্যেমে।
২। সিফিলিস , গণােরিয়া প্রভৃতি যৌন রােগের মাধ্যমে।
৩। বিকোলাই দ্বারা আক্রান্ত রােগে দীর্ঘদিন ভােগার পর মূত্রনালীর জীবাণু বা প্রসবােত্তর জরায়ুর ঘা এর মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে।
রােগের লক্ষন সমূহঃ
১। ঋতুস্রাবে দুর্গন্ধ কালাে জমাট রক্তের দানা বের হয়। অতঃপর সাদা স্রাব সব সময় দেখা দেয়।
২। জরায়ুর নিচের অংশ যৌনিতে চুলকানাে ও সহকামে ব্যথা অনুভূত হয়।
৩। কখনাে কখনাে জ্বর, কর্মে অনীহা, মাথা ব্যথা দেখা দেয়।
৪। ঋতু ৮/১২ দিন পর্যন্ত দেখা দেয়।


খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কারন অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।
২। সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করতে হবে।
৩। গর্ভপাত যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪। পুষ্টিকর স্বাভাবিক খাবার খেতে হবে।

যােনীর প্রদাহ
ইহা জীবাণু দূষণ জনিত রােগ। যে কোন বয়সের মেয়েদের এই রােগ হতে পারে। তবে চিন্তার কারন নেই।উপযুক্ত চিকিৎসায় এটি পুরোপরি টিক হয়ে যায়।


রােগের কারনঃ
১। বিভিন্ন যৌন রােগ হতে।
২। জরায়ুর ডিম্বনালীর যক্ষা হতে।
৩। জরায়ু ও ডিম্বনালীর প্রদাহ হতে।
৪। যােনীতে বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস দূষণ হতে।
৫। অপরিষ্কার থাকলে।


রােগের লক্ষন সমূহঃ
১। তলপেট ও কোমড়ে ব্যথা হয় এবং সামান্য জ্বর হয়।
২। যােনী ফুলে উঠে, চুলকায় ও ব্যথা করে।
৩। কখনাে যােনীতে ঘা ও পুঁজ হতে দেখা যায়।
৪। ঋতুর গোলযােগে হলুদ স্রাব এবং সাদা আঠালাে স্রাব দেখা যায়।
৫। যােন রােগ যেমন – গণােরিয়া, সিফিলিস।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। অভিজ্ঞ কোন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।
২। যােনীর প্রদাহ থাকলে সহবাস করা উচিৎ না।
৩। স্বাভাবিক খাবার ও ভিটামিন খাওয়া ভাল।

Leave a Comment