মানসিক রোগ ও প্রচন্ড উম্মাদ রোগ এর কারন ও চিকিৎসা

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আজ আমরা মানসিক রোগ ও প্রচন্ড উম্মাদ রোগ এর কারন ও চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।


মানসিক রোগ
বিবিধ রোগের মত মানসিক রোগ ও যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। সব শ্রেনীর মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হওয়া অস্থাভাবিক না। অনেক রোগের মত মানসিক রোগেরও চিকিৎসা আছে। সময়মত সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিলে এ রোগ নিরাময় হয় এবং পরিবার, আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীর কষ্ট দূর হয়!
রোগের কারনঃ
১ দ্বন্দবহুল কলহময় পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক নিরাপন্তাহিনতা প্রভৃতি কারনে মানসিক রোগ হতে পারে ।
২। বাক্তিগত মানসিক সমস্যার বিভিন্ন ধরনের দুশ্চিন্তা এবং দ্বিধা দ্বন্দ থেকে মানসিক রোগের উৎপত্তি হতে পারে।
৩। বংশগত কারনেও এই রোগ হতে পারে।
৪। শারীরিক সমস্যার কারনেও এটি হতে পারে!
রোগের লক্ষন সমৃহঃ
১ চঞ্চলতা, প্রলাপ বকা ও আক্রমানান্তক আচরণ প্রভৃতি উপসর্গসহ জিনিসপত্রের ক্ষতিসাধন বা ভাঙচুর করা।
২। চুপ হয়ে যায়, ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করে না, একা একা বির বির করে কথা বলে কিংবা অকারনে নিজে নিজে হাসে।
৩। বিষপ্ন ভাব, কিছু ভাল না লাগা, অস্থিরতা, অনিদ্রা!
খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। একজন মানসিক রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে এবং প্রয়োজনে মানুষিক হাসপাতালে
চিকিৎসা করাতে হবে ।
২। একজন মানসিক রোগীর ভাল হতে হলে অবশ্যই পারিবারের সহযোগিতার প্রয়োজন ।
৩ স্বামী ও স্ত্রী দুজনের ই উচিৎ ঝগড়া বিবাধ বা মনোমালিন্য না করা।
প্রচন্ড উম্মাদ রোগঃ
এই অবস্থায় রোগীর শরীর ও মন মোটেই সুস্থ থাকে না। লেখা পড়া কাজ কর্ম কোন কিছুতেই মন বসে না। রোগী অন্যমনস্ক হয়ে যায়, কারনে অকারনে হাসে বা কাঁদে । নিজেকে সর্বদা বড় মনে করে। এই অবস্থায় রোগীর চরম পাগলামীর প্রকাশ ঘটে।
রোগের কারনঃ
১ দ্বন্দবহুল কলহময় পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক নিরাপন্তাহিনতা প্রভৃতি কারনে এই রোগ হতে পারে ।
২। বাক্তিগত মানসিক সমস্যার বিভিন্ন ধরনের দুশ্চিন্তা এবং দ্বিধা দ্বন্ধ থেকে এই রোগের উৎপত্তি হতে পারে।
৩। বংশগত কারনেও এই রোগ হতে পারে ।
৪। শারীরিক অসুস্থতার কারনেও এ রোগ হতে পারে।
রোগের লক্ষন সমূহঃ
১ রোগী কখনও হাসে আবার কখনও কাঁদে।
২। চিন্তা ধারা খুব তাড়াতাড়ি চলে। এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে হঠাৎ চলে যায়।
৩। আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে না।
৪। ঘুম হয় তবে ক্ষণন্থায়ী।
৫॥ অস্থিরতা বেড়ে যায়।
৬॥ যৌন ইচ্ছা থাকে না, কিন্তু শক্তি কম হয়।
খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। একজন মানসিক রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে এবং প্রয়োজনে মানসিক হাসপাতালে
চিকিৎসা করাতে হবে ।

Leave a Comment