মাথাব্যাথার চিরস্থায়ী সমাধান

মাইগ্রেন ও মাথাব্যাথা এর সমাধান নিয়ে আজ আমরা আপনাদের সামনে হাজির হলাম!
চলুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক!

মাইগ্রেন বা শিরপীড়া
মাথাব্যাথা মানেই যে মাইগ্রেন তা কিন্তু না। মাইগ্রেন রোগের কিছু ভিন্ন লক্ষণ আছে যা সাধারণ মাথাব্যাথা থেকে আলাদা। এ রোগের উৎস ও উপসর্গও আলাদা । অনেকেরই হয়ত হঠাৎ হঠাৎ মাথা ব্যাথা উঠে॥ এই মাথাব্যাথা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে! এই ধরণের মাথাব্যাথা তীব্র না।

রোগের কারনঃ
১। বংশগত বা জেনেটিক।
২। দুশ্চিন্তা এবং অস্থিরতা ।
৩। শব্দ দূষণ, পরিবেশ দুষণ, বায়ু দূষণ ইত্যাদি ।
৪। ঘুম কম হওয়া অথবা অতিরিক্ত সময় ধরে বিছানায় শুয়ে থাকা।
৫। মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিওডের সময়কাল এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িও মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১ মাথার একপাশ বা উভয় পাশে তীব্রভাবে ব্যথা হয়।
২। কোন ব্যাথা তিন চার ঘন্টা স্থায়ী হয় এবং এই সময়ের মধ্যেই ঝড় তুলে শেষ হয়ে যায়।
৩। আবার কোন কোন ব্যাথা সপ্তাহ ধরে থাকে ।
৪। বমিবমিভাব বা ব্যাথা বেশি তীব্র হলে বমি পারে ।
৫। দৃষ্টি শক্তির গোলযোগ হতে পারে।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে ॥
২। যে স্থানে ব্যথা বেশি অনুভ্ত হচ্ছে, সেখানে বরফ বা ঠাণ্ডা সেক দিন।
৩। মাথার নিচে ও কাঁধে বালিশ রেখে হেলান দিয়ে থাকুন ।
৪ যেখানে ব্যাথা খুব তীব্র সেখানেও বালিশ দিয়ে জোরে চাপ দিয়ে থাকতে পারেন।

মাথাব্যাথা
প্রত্যেক মানুষেরই কম বেশী মাথাব্যাথা হয় । কিন্তু মাঝে মাঝেই মাথা এতটাই অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, সেটা সহ্য করার ক্ষমতা মানুষ হারিয়ে ফেলে ‘মাথা ব্যাথা কমাতে অনেকেই প্যারাসিটামল খেয়ে থাকে। কিন্তু সবসময় অতিরিক্ত প্যারাসিটামল
গ্রহন মানুষের দেহের জন্য ক্ষতি নিয়ে আসে

রোগের কারনঃ
অপর্যাপ্ত ঘুম, টেনশন, অতিরিক্ত কাজের চাপ, প্রেশার কমে যাওয়া, শরীরে পুষ্টির অভাব, রোদ ইত্যাদি কারনে মানুষের মাথা ব্যাথা হতে পারে । এছাড়া টেনশন, পরীক্ষা বা চাকরির অত্যন্ত চাপ, মানসিক অশান্তি, বাস বা গাড়িতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশিক্ষণ গরমে থাকলে এটা হতে পারে!

রোগের লক্ষন সমুহঃ
১। হঠাৎ প্রচণ্ড মাথা বাথা হতে পারে ।
২। মাথার মধ্যে দপ দপ করে।
৩। কখনও বমি হতে পারে ॥
৪। দুর্বলতা, নিঙ্নরক্চাপ, ঘুম না হওয়া, অত্যাধিক গরমের চাপেও মাথা ধরতে পারে।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমাবার অভ্যাস থাকতে হবে। অপর্যাপ্ত ঘুম মাথা ব্যাথা কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে। কাজের চাপ খুব বেশী হলে, প্রতিদিন সকালে হালকা ব্যায়াম করুন। এতে করে মন সবসময় প্রফুল্ল থাকবে ঘুমাবার আগে কমপক্ষে ৩ গ্লাস পানি পান করুন।

Leave a Comment