টাইফয়েড জ্বর ও টাইফাস জ্বর হলে করনীয়

টাইফয়েড জ্বর ও টাইফাস জ্বর হলে করনীয়


টাইফাস জ্বর
টাইফাস ফিভার একটি সংক্রামক ব্যাধি এই রোগ আমাদের দেশে নেই বললেই চলে । ইউরোপ মহাদেশে এই রোগের
প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি । শীত ও বসন্ত খতুতে এই রোগের প্রকোপ বেশি হয়।


রোগের কারনঃ
রিকেটশিয়া প্রোয়াজেকী নামক জীবাণু দ্বারা এই রোগ সংক্রামিত হইয়া থাকে । মানুষ গা, মাথা চুলকাইলে সেইন্থান দিয়া রোগ
জীবাণু দেহের ভিতর প্রবেশ করে ও রক্তে মিশিয়া যায়।


রোগের লক্ষন সমৃহঃ
১। আক্রান্ত হইবার ২/১ দিন পূর্বে শরীর অবসাধগ্রস্থ হয় এবং মাথা বাথা হয় ।
২ হঠাৎ প্রবল জ্বরসহ এই রোগের প্রকাশ ঘটে। হাত, পা, কোমর ও মাথায় বাথা এবং রোগী অসুস্থ হইয়া পড়ে ॥
৩। জ্বরের মাত্রা ১০৩/১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধি হইতে!
খাবার ও চিকিৎসাঃ
১ অসুস্থ অবস্থায় সাণ্ড, বার্লি ইত্যাদি খাইতে দেওয়া যায় ।
২। পেটের গোলমাল না থাকিলে দুধ, দুধবার্লি, গ্ুকোজ, মিষ্টি ফলের রস দেওয়া যায়।
৩। রোগমুক্ত হইলে ছটো মাছের ঝোল ও কচি মুরগীর মাংস খাইতে দেওয়া যায় ।


টাইফয়েড জ্বর
রোগের কারনঃ
টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড রোগ সালমোনিলা টাইপ ও প্যারাটাইপ দ্বারা মানব দেহে সংক্রামিত হয়। আক্রান্ত রোগীর মল-মূত্র
দ্বারা বিভিন্ন জায়গায় পানি জীবাণু দুষ্ট হয় এবং যেভাবেই হোক এই দুষিত পানি মানবদেহে প্রবেশ করিলে রোগের সৃষ্টি হয়!


রোগের লক্ষন সমৃহঃ
১। রোগীর জ্বর ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
২। প্রথম দিন রোগী শরীরে সামান্য ব্যথা অনুভব করে এবং কাজে অস্থস্তি প্রকাশ করে।
৩। জ্বর সকালে কমে কিন্তু পূর্বের তুলনায় বেশী হয়। তবে ৩/৪ দিন পর শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
৪। নাড়ীর স্পন্দন বেড়ে যায়!


খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। রোগীকে বিশ্রামে রাখিতে হইবে।
২। Bedsore যেন না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হইবে
৩। পেটের কোনপ্রকার রোগ না থাকলে সাগু, গ্ুকোজ, রবিনসন বার্লি ইত্যাদি দেওয়া যায়।
৪। রোগমুক্ত হইলে প্রথমে এক বেলা সাগুর ভাত দেওয়া যায়!

Leave a Comment