চর্মের প্রদাহ ও খোস পাঁচড়া হলে করনীয়

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ আজ আমরা আপনাদের সামনে চর্মরোগ এর সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি! চর্মের প্রদাহ কিংবা খোস পাঁচড়া হলে করনীয়সমুহ আজ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।

চর্মের প্রদাহ
চর্মের প্রদাহ আসলে তেমন ভয়ঙ্কর কোন রোগ না। এটি তেমন পরিচিত রোগও না তবে যাদের এলার্জি আছে তারা প্রায়ই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। সব বয়সের রোগীদের হতে পারে ।

রোগের কারনঃ
১ বিভিন্ন এলার্জিক খাবার গ্রহনের ফলে।
২। বিভিন্ন এলার্জিক প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে।
৩। তকে বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি আক্রমণের ফলে।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১৭ আক্রান্ত স্থানে ফুসকুড়ি পড়ে এবং চুলকায়।
২। আক্রান্ত স্থানে চুলকানোর ফলে ফুলে উঠে॥
৩। চামড়ায় ঘামাচির ন্যায় ফুটনী জাতীয় উঠে।
৪। জীবাণু প্রদাহ হলে, একস্থান থেকে অন্যন্থানে হতে পারে ॥
৫। বড় ফুক্কুরী চুলকানোর ফলে গলে গিয়ে ঘা সৃষ্টি করে।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। অভিজ্ঞ চিকিতসকের পরামর্শ মত চলতে হবে ।
২। মুল কারন অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।
৩। এলার্জি জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে ॥

খোস পাঁচড়া
খোস পাঁচড়া একটি সংক্রামক ব্যধি ॥ মুখ, গলা কিংবা মাথায় ইহা হয় না। সাধারণত হাতের তালু, হাতের পিঠ, হাতের বা পায়ের আঙ্গুলের ফাঁক, নাভির চারদিক, পাছায়, মাথায়, পেটের বিভিন্ন জায়গায় এটা প্রচুর পরিমাণে হয়।আক্রান্ত স্থান অত্যধিক চুলকায়।

রোগের কারনঃ–
১ সাধারণত অপরিষ্কার – অপরিচ্ছন্ন থাকার ফলে এ রোগ হয়ে থাকে ।
২। পরিবারের কোন সদস্য আক্রান্ত হলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বাকীদের ও আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে ।

রোগের লক্ষনসমুহঃ-
১। আক্রান্ত স্থান চুলকায় ॥
২। নখের সাহায্যে চুলকানোর পরে সলে যায় এবং নখের সাথে জীবাণু লেগে এটি পাকে।
৩। এটি কতগুলো নির্দিষ্ট স্থানে হয়।
৪। বয়স্ক লোকদের তুলনায় শিশু ও বালকবালিকাদের বেশি হয় এবং তাদের পা ও হাতের তালুতে হয়।
৫। ঠিকমত চিকিৎসা না হলে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ ব্যাবহার করতে হবে।
২। ঔষধ ব্যবহারের পূর্বে গরম পানি দিয়ে সমস্ত শরীরে এবং আক্রান্ত স্থান কার্বলিক সাবান বা ডেটল সাবান দিয়ে গোসল করবে।অতঃপর মুখমন্ডল, মাথা ও জননেন্দ্রিয় বাদে নিমোক্ত ঔষধ ব্যবহার করবে ।

Leave a Comment