গর্ভধারন সম্পর্কিত তথ‌্যাবলী

গর্ভধারন
সন্তান মায়ের গর্ভে আসলে তখন তাকে গর্ভধারন বলে। এটা মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে এই পৃথিবীতে মানুষের জন্মের একটা সুন্দর মাধ্যম। এইখানে গর্ভধারনের কথা উল্লেখ করার একটা কারন হল গর্ভধারনের সময় থেকে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত একজন মা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।তার মধ‌্যে গর্ভকালীন রক্তহীনতা অন‌্যতম সমস‌্যা। আমাদের এই আজকের আলোচ‌্য বিষয় গর্ভকালীন রক্তহীনতা।
গর্ভধারনের কারন:-
গর্ভধারনের কারন আমরা সবাই জানি। তবে আমার ভাষায় আমি বলব গর্ভধারনের প্রধান এবং একমাত্র কারন হল এই পৃথিবীতে মানুষের আগমন এবং মহান আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য করার মাধ্যম।
লক্ষন সমূহঃ
১। মাসিক বন্ধ হওয়া।
২। বমি বমি ভাব বা ঘন ঘন বমি হওয়া।
৩। স্তনের আকার বৃদ্ধি ও বর্ণ পরিবর্তন।
৪। ঘন ঘন মূত্র বেগ।
৫। ক্রমান্বয়ে তলপেটের ঘের বৃদ্ধি।
৬। গর্ভস্থ শিশুর স্পন্দন বা নড়াচড়া ।
খাবার ও চিকিৎসাঃ

  • গর্ভবতী মহিলার স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার কারণে সার্বক্ষণিক সুস্থ জীবনযাত্রার কয়েকটি নিয়ম ও উপদেশঃ
    ১। নিয়মিত উপযুক্ত খাদ্য খেতে হবে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, মুরগী, বিভিন্ন ডাল, সীম, মটরশুটি প্রভৃতি গর্ভস্থ শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও মায়ের শরীরের ক্ষয়পূরণ করে ।
    গর্ভকালীন রক্তহীনতা
    গর্ভকালীন অবস্থায় রক্তহীনতা আমাদের দেশের মেয়েদের খুব কমন একটা সমস্যা। সাধারনত দুর্বল ও অপ্রাপ্তবয়সী মেয়েরা গর্ভবতী হলে এই সমস্যায় বেশী ভােগে। রােগের কারনঃগর্ভবতী অবস্থায় মহিলাদের রক্তকণিকা, হিমােগ্লোবিন ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়। এগুলাের তুলনায় প্লাজমা অধিক বৃদ্ধি পায় বলে গর্ভিনীকে রক্তহীন দেখায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রায়ই মেয়েরা রক্তহীনতায় ভােগে। তাহার দেহ হতে প্রয়ােজনীয় ভিটামিন অংশ বাচ্চার দেহে যায়।
    রােগের লক্ষন সমূহঃ
    ১। রােগী দুর্বলতা অনুভব করে। সকল সময় মাথা ও বুক ধড়ফড় করে।
    ২। অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে পড়ে।
    ৩। চেহারা ফ্যাকাশে হয়।
    ৪। ক্ষুধামন্দা, বদহজম, পেট ফাঁপা ইত্যাদি থাকতে পারে।
    ৫। কৌষ্ঠ্যকাঠিন্য ইত্যাদি হতে পারে।
    ৬। জিহবায় ঘা দেখা দিতে পারে।
    খাবার ও চিকিৎসাঃ
    ১। ভিটামিন ও আয়রন টনিক খাওয়ার ফলে পেটের গন্ডগােল দেখা দিলে ঔষধ বন্ধ রাখতে হবে। আবার পেট ভাল হলে ঔষধ শুরু করতে হবে।
    ২। কৃমি থাকলে বা আমাশয় থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে। তবে গর্ভাবস্থায় কৃমির ঔষধ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খেতে হবে।
    ৩। প্রয়োজনে রক্ত দিতে হবে।

Leave a Comment