গনোরিয়া ও স্পারমেটরিয়া হলে করনীয়

গনোরিয়া
গনোরিয়া আমাদের বেশ পরিচিত একটি সমস্যা যে কারও এই রোগ হুতে পারে । চিন্তার কোন কারন নেই উপযুক্ত পরামর্শ ও চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্নরুপে সারিয়ে নেওয়া যায়।

রোগের কারনঃ
১। কক্কাস জাতীয় এক প্রকার জীবাণুর সংক্রমণে এ রোগ হয়।
২। অণুবীক্ষণযন্ত্রে এদের ডটের মত দেখায় ।
৩। গণোকক্কাস নামক এক ধরনের ডিপলোকক্কাস থেকেই গণোরিয়া রোগের সৃষ্টি ।
৪। পুরুষ ও নারীর যৌনমিলনের মাধ্যমে এক জন থেকে আরেকজনে স্থানান্তরিত হয় ।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১। পুরুষাঙ্গের মাথা চুলকায় এবং স্থানে আঠাল পদার্থ দেখা যায়।
২।জ্বর জ্বর ভাব হয়।
৩। বারবার প্রস্রাবের চাপ হয় এবং অল্প প্রস্রাব হয়।
৪। সাদা, হলদে প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের পুঁজ পড়ে।
৫। চোখ, রেক্টাম, মলদ্বার প্রভৃতি সংক্রমিত হতে পারে।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। অবৈধ সংসর্গ ত্যাগ করতে হবে ।
২। রোগীর ব্যবহৃত কাপড়চোপড় অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয়।
৩। রোগ যাতে না বাড়ে সেজন্য প্রথমে চিকিৎসা নেওয়া উচিত ।
৪। রক্তের V,D,R,I করে রোগ নির্ণয় করতে হয়।
৫। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে ।

স্পারমেটরিয়া
সই সাধারণত অনেকের সামান্য উত্তেনাতেই যৌনাঙ্গের মাথায় আঠাল জাতীয় পাতলা এক প্রকার পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

রোগের কারনঃ
১। যৌন উত্তেজনায় এমন হয় বা হতে পারে।
২. প্রশ্রাব করার শেষে এবং পায়খানা করার সময় চাপ পড়ে পাতলা দুধের মত এক প্রকার পদার্থ বের হতে পারে ॥ এটা স্বাভাবিক।
৩। যৌন উত্তেজনা মূলক ছবি দেখলে বা অল্লীল গ্রন্থ পাঠ করলে এটা হতে পারে ।
৪। ঘন ঘন উত্তেজনা হলে এবং পরে এমন হতে পারে ।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১ অল্প উত্তেজনায় যৌনাঙ্গের মাথায় আঠালো পদার্থ বের হয়।
২. প্রশ্রাবের শেষে কষা প্রশ্রাব হতে পারে ।
খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। কুগ্রন্থ পাঠ ,ভিডিও দেখা ও খারাপ খারাপ চিন্তা ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।
২। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৩। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ,আজ আমরা গনোরিয়া ও স্পারমেটরিয়া হলে কি করা উচিত তা বিস্তারিত আলোচনা করব।

গনোরিয়া
গনোরিয়া আমাদের বেশ পরিচিত একটি সমস্যা যে কারও এই রোগ হুতে পারে । চিন্তার কোন কারন নেই উপযুক্ত পরামর্শ ও চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্নরুপে সারিয়ে নেওয়া যায়।

রোগের কারনঃ
১। কক্কাস জাতীয় এক প্রকার জীবাণুর সংক্রমণে এ রোগ হয়।
২। অণুবীক্ষণযন্ত্রে এদের ডটের মত দেখায় ।
৩। গণোকক্কাস নামক এক ধরনের ডিপলোকক্কাস থেকেই গণোরিয়া রোগের সৃষ্টি ।
৪। পুরুষ ও নারীর যৌনমিলনের মাধ্যমে এক জন থেকে আরেকজনে স্থানান্তরিত হয় ।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১। পুরুষাঙ্গের মাথা চুলকায় এবং স্থানে আঠাল পদার্থ দেখা যায়।
২।জ্বর জ্বর ভাব হয়।
৩। বারবার প্রস্রাবের চাপ হয় এবং অল্প প্রস্রাব হয়।
৪। সাদা, হলদে প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের পুঁজ পড়ে।
৫। চোখ, রেক্টাম, মলদ্বার প্রভৃতি সংক্রমিত হতে পারে।

খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। অবৈধ সংসর্গ ত্যাগ করতে হবে ।
২। রোগীর ব্যবহৃত কাপড়চোপড় অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয়।
৩। রোগ যাতে না বাড়ে সেজন্য প্রথমে চিকিৎসা নেওয়া উচিত ।
৪। রক্তের V,D,R,I করে রোগ নির্ণয় করতে হয়।
৫। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে ।

স্পারমেটরিয়া
সই সাধারণত অনেকের সামান্য উত্তেনাতেই যৌনাঙ্গের মাথায় আঠাল জাতীয় পাতলা এক প্রকার পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

রোগের কারনঃ
১। যৌন উত্তেজনায় এমন হয় বা হতে পারে।
২. প্রশ্রাব করার শেষে এবং পায়খানা করার সময় চাপ পড়ে পাতলা দুধের মত এক প্রকার পদার্থ বের হতে পারে ॥ এটা স্বাভাবিক।
৩। যৌন উত্তেজনা মূলক ছবি দেখলে বা অল্লীল গ্রন্থ পাঠ করলে এটা হতে পারে ।
৪। ঘন ঘন উত্তেজনা হলে এবং পরে এমন হতে পারে ।

রোগের লক্ষন সমূহঃ
১ অল্প উত্তেজনায় যৌনাঙ্গের মাথায় আঠালো পদার্থ বের হয়।
২. প্রশ্রাবের শেষে কষা প্রশ্রাব হতে পারে ।
খাবার ও চিকিৎসাঃ
১। কুগ্রন্থ পাঠ ,ভিডিও দেখা ও খারাপ খারাপ চিন্তা ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।
২। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৩। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

Leave a Comment